দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ে উপদেষ্টাদের বৈঠক

 
দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ে উপদেষ্টাদের বৈঠক

ন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, নির্বাচিত সরকার আসার আগে মূল্যস্ফীতির পুরোপুরি সমাধান করা কঠিন। তিনি উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পেছনে চাঁদাবাজিকে একটি বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, আগে যারা চাঁদাবাজি করতো, তাদের পাশাপাশি বর্তমানে রাজনীতিতে যারা জায়গা দখলের চেষ্টায় আছে, তাদের লোকজন এবং স্থানীয় পর্যায়ের অন্যান্য চাঁদাবাজরাও সক্রিয় রয়েছে। এটি নিয়ন্ত্রণ করা অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি একটি দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা, যা গত দুই-তিন বছর ধরে বেড়েছে। মেগা প্রকল্পগুলোর ধীর রিটার্ন এবং রেমিট্যান্সের হ্রাসও অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। সরবরাহ চেইনের ভাঙন এবং চাঁদাবাজির কারণে পরিবহন খরচ বেড়ে যাচ্ছে, যা পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে অবদান রাখছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের নিচে নামানো সম্ভব হবে, তবে একেবারে ৫-৬ শতাংশে নামানো সম্ভব নয়।


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, নির্বাচিত সরকার আসার আগে মূল্যস্ফীতির পুরোপুরি সমাধান করা কঠিন।


মূল্যস্ফীতির কারণসমূহ:

সালেহউদ্দিন আহমেদ মূল্যস্ফীতির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে চাঁদাবাজির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, "আগে যারা চাঁদাবাজি করতো তাদের পাশাপাশি রাজনীতিতে যারা জায়গা দখলের চেষ্টায় আছে তাদের লোকজন চাঁদাবাজি করছে এবং স্থানীয় পর্যায়ের অন্যান্য চাঁদাবাজরাও সক্রিয় আছে।" এতে করে পণ্য পরিবহনের খরচ বেড়ে যাচ্ছে, যা সরাসরি পণ্যের মূল্যে প্রভাব ফেলছে।

তিনি আরও বলেন, "মহাস্থানগড় থেকে একটি ট্রাক ঢাকায় আসবে। পাঁচ হাজার টাকা ভাড়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাঁদাবাজির কারণে ভাড়া পড়ে ১২ হাজার টাকা। চাঁদাবাজি তো কমে নাই।"

সরকারের সীমাবদ্ধতা:

অন্তর্বর্তী সরকারের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে তিনি বলেন, "রাজনৈতিক সরকারের সুবিধা হলো, তার পলিটিক্যাল আর্মস ছিল। আমাদের তো সেরকম নাই।" এ কারণে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

মেগা প্রকল্পের প্রভাব:

মেগা প্রকল্পগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, "মেগা প্রজেক্টের সমস্যা হলো, রিটার্ন আর আউটপুট দ্রুত আসে না। ব্রিজ হলো, সরবরাহ চেইনে তো দ্রুত কোনো প্রভাব নাই।" এতে করে অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রচেষ্টার বিষয়ে তিনি বলেন, "আমরা চেষ্টা করছি। আমরা আশা করছি, জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ৮ এর নিচে নিয়ে আসতে পারবো।" তবে তিনি স্বীকার করেন যে, একেবারে পাঁচ-ছয়-চারে নিয়ে আসা অসম্ভব।

সালেহউদ্দিন আহমেদের এই মন্তব্যগুলো দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জগুলো বুঝতে সহায়ক। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, নির্বাচিত সরকার আসার আগে মূল্যস্ফীতির পুরোপুরি সমাধান করা কঠিন হবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post